এনটিআরসিএর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নিয়ে সখবর✅
আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হওয়ায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে নিয়োগ প্রক্রিয়া পেছাতে পারে। এ পরিস্থিতি এড়াতে তফসিল ঘোষণার আগে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে বলে ১৭ নভেম্বর সূত্র জানায়।
শূন্যপদ সংগ্রহ নিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন
সূত্র অনুযায়ী, শুরুতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় যে ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত শূন্যপদের তথ্য নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু প্রার্থীদের অনুরোধ এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণকে ভিত্তি ধরেই বিশেষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের বক্তব্য
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী এক গণমাধ্যমকে বলেন—
নির্বাচন সামনে থাকায় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদ সংগ্রহ করা সম্ভব নয়।
তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার সুযোগ থাকে না।
প্রার্থীদের সুবিধা বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত শূন্যপদের চাহিদা নেয়ার অনুমোদন দিয়েছে এবং সেই অনুযায়ী এনটিআরসিএ কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, যদি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হতো, তাহলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লেগে যেত। কিন্তু তফসিল ঘোষণার পর নিয়োগসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি নিষিদ্ধ থাকে। তাই আগেভাগেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শূন্যপদ সংগ্রহের সময়সূচি
মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
১৯ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া হবে।
এরপর তিন দিন সংশোধনের জন্য রাখা হবে।
সংশোধন শেষে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে—অর্থাৎ তফসিল ঘোষণার আগেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
মন্ত্রণালয়–এনটিআরসিএ যোগাযোগ
এর আগে, ৯ নভেম্বর এনটিআরসিএ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে জানতে চেয়েছিল—
শূন্যপদ সংগ্রহের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত রাখা হবে, নাকি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, নিয়োগ সুপারিশের কাজ এগিয়ে নিতে ই-রিকুইজিশন পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রয়োজন। প্রার্থীদের বয়স ও সনদের মেয়াদ বিবেচনা করে সময়সীমা নির্ধারণের অনুরোধও করা হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ২৫ জানুয়ারির একটি পরিপত্র অনুসারে প্রতি বছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শূন্যপদ সংগ্রহের নিয়ম থাকলেও, এবার নির্বাচন–সংক্রান্ত বাস্তবতা বিবেচনা করে সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়।

إرسال تعليق