প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের বসিয়ে রেখে হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত করার ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।
পরীক্ষার কেন্দ্রে বসিয়ে রেখে পরীক্ষা স্থগিত: নজিরবিহীন ঘটনা
পরীক্ষার্থীরা জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তারা পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হন। অনেকেই ভোর থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছান। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগ মুহূর্তে বা পরীক্ষার্থী বসানো সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ করে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন পরীক্ষার্থীরা।
অনেক শিক্ষার্থী বলছেন, এটি ইতিহাসে বিরল এবং চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন একটি ঘটনা। একটি জাতীয় পর্যায়ের নিয়োগ পরীক্ষায় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ অগ্রহণযোগ্য।
এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন অব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
আর্থিক ক্ষতির দায় কে নেবে?
পরীক্ষার্থীদের আরেকটি বড় অভিযোগ হলো আর্থিক ক্ষতি। অনেকেই পরীক্ষা দিতে এসে
- যাতায়াত
- থাকা-খাওয়া
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
সব মিলিয়ে ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করেছেন। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় এই খরচ সম্পূর্ণভাবে বিফলে গেছে
৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদ দেখানো হয়েছিল ১০ হাজার ২১৯টি। ফলে প্রতি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ৭৩ জন প্রার্থী।
এদিকে, গত ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে দেশের দুই বিভাগের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই ধাপে শূন্য পদের সংখ্যা ৪ হাজার ১৬৬টি এবং এর আবেদন গ্রহণ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) শেষ হবে।




إرسال تعليق